পুঁজিবাজার

১০ বছরের সর্বোচ্চ অবস্থানে পুঁজিবাজার

  • প্রকাশিত ১৯ জুলাই ২০২১

পুঁজিবাজারে উত্থান অব্যাহত আছে। ঈদের আগের শেষ কর্মদিবসের শুরুতে সূচকের পতন হলেও ব্যাংক ও বিমার দর বৃদ্ধিতে ভর করে সূচক এবার ১০ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো ৬ হাজার ৪০০ পয়েন্টের ঘর অতিক্রম করল।

২০১৪ সালের ২৯ জানুয়ারি নতুন সূচক ডিএসইএক্স চালুর পর সর্বোচ্চ অবস্থানের রেকর্ড আগেই ভেঙেছিল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ। সামনে ছিল আগের সূচকের আরেক ধাপ ৬ হাজার ৩৮৯ পয়েন্ট।

ঈদের ছুটিতে ছয় দিনের বিশ্রামে যাওয়া পুঁজিবাজারে এই ডিএসই সূচক অতিক্রম করে কি না, এ নিয়ে অপেক্ষায় লেনদেনের শুরুতে সূচক পড়ে যায় আগের দিনের তুলনায়।

একপর্যায়ে ১৩ পয়েন্ট পড়ে গেলেও পরে ব্যাংক ও বিমা খাতের কোম্পানিগুলোর দাম বাড়তে থাকায় সূচকে যোগ হতে থাকে পয়েন্ট। বেলা ১টা ৩৩ মিনিটে সূচক ৬ হাজার ৪০২ পয়েন্টে পৌঁছে।

দিন শেষে সূচকের অবস্থান ছিল ৬ হাজার ৪০৫ পয়েন্ট। এর চেয়ে বেশি সূচক ছিল ২০১১ সালের ৩১ জুলাই, ৬ হাজার ৪৫৯ পয়েন্ট। অর্থাৎ এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে এখন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ।

সূচক বাড়লেও ঈদের আগে শেষ কর্মদিবসে বিনিয়োগকারীরা যে শেয়ার কেনাবেচায় অনেকটাই সতর্কতা দেখিয়েছেন, সেটি লেনদেনের চিত্রেই স্পষ্ট। আগের দিনের তুলনায় লেনদেন কমেছে ৬০০ কোটি টাকারও বেশি।

সূচকে বেশ ভালো পরিমাণ পয়েন্ট যোগ হলেও এদিন কমেছে বেশির ভাগ শেয়ারের দাম।

অনেক দিন পর সর্বাধিক দর বৃদ্ধির তালিকায় বিমা খাতের কোম্পানিগুলোর আধিক্য দেখা গেছে। এই খাতের দাম এক বছরে কয়েক গুণ বাড়ার পর সাম্প্রতিক দর সংশোধনে শেয়ারধারীদের মধ্যে যে হতাশা দেখা দিয়েছিল, সেটি কাটবে কি না, এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে মুহূর্তেই।

হতাশা কাটিয়ে ব্যাংক খাতও অন্তত এক দিন কিছুটা স্বস্তি দিল শেয়ারধারীদের। তবে আগের দিন তুমুল আলোচনায় থাকা মিউচ্যুয়াল ফান্ড এদিন হতাশ করেছে। দর হারিয়েছে প্রায় সবগুলো। লেনদেনও হয়েছে কম।

বস্ত্র খাতে সকালে পতন হলেও ঘুরে দাঁড়িয়েছে শেষ বেলায়। আগের দিনের উত্থান ধরে রাখতে পারেনি জ্বালানি খাতও। আবার ব্যাংকের চাঙাভাবের প্রভাব পড়েনি আর্থিক খাতে।

খাদ্য ও আনুষঙ্গিক, ওষুধ ও রসায়ন এবং প্রকৌশলের মতো বড় খাতগুলোতেও দর পতন ঘটেছে।

আরও পড়ুন



Arthobazar